Love By Bd

ভালোবাসা ভাল লাগায় বেঁধে রাখা।

Latest Post


আইএস বলতে আমরা বুঝে থাকি জঙ্গি গোষ্ঠীকে।আইসিএসআর* প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী 2013 সাল থেকে 2018 পর্যন্ত জঙ্গি গোষ্ঠীর সংখ্যা এক নজরে: 
এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে মোট আইএসে যোগ দিতে ইরাক ও সিরিয়ায় গেছেন 80 দেশের 41হাজার 490 জন।এদের ভিতর নারী 13 শতাংশ।পরে অবশ্য 4 শতাংশ ফিরে যায়।এদের ভিতর যে সকল অঞ্চল উল্লেখযোগ্য : 
 মধ্যপ্রাচ্য ও উওর আফ্রিকা থেকে 18852 জন। পূর্ব ইউরোপ থেকে 7252 জন। মধ্য এশিয়া থেকে 5965 জন। পশ্চিম ইউরোপ থেকে 5904 জন। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া থেকে 1063 জন। পূর্ব এশিয়া থেকে 1010 জন। যুক্তরাষ্ট্র,অষ্টেলিয়াও নিউজিল্যান্ড থেকে 753 জন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে 447 জন। সাব সাহারা থেকে 244 জন।
 মনে করা হয়,2018 সালের শেষ পর্যন্ত 1 লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকায় 1 কোটি 10 লাখ নাগরিক আইএসের অধিনে ছিল।এবং এ পর্যন্ত তারা 29 টি দেশে 4 হাজার 300 টি হামলা করেছে। #সূত্র:প্রথম আলো 

আজ 21 শে ফেব্রুয়ারি।একদিকে শহিদ দিবস আর এক দিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও বটে।1952 সালে ভাষার জন্য প্রান দিয়েছিল 40 জন বা তারও বেশি মানুষ।তাদের স্বরনে আজ সারা দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস।এবং গভীর ভাবে তাদের আত্নার শান্তি কামনা করা হচ্ছে।
শোকের এই মূহূর্তকে আরও রাঙ্গিয়ে দিতে নেমে এল আর এক শোকহত দিন।ঢাকার চকবাজারে আগুন লেগে মৃত্যু বরন করল 78 টি প্রান আর আহত হল শতাধিক মানুষ।যদিও খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আসে।তদাপি তাদের কিছুই করার ছিল না।ঘটনা যেন শোকাহত এ দিনকে আরও গভীর র করে দিল।


শহর অঞ্চলের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ছেঁড়া জামা অথবা খালি গায়ে ময়লা আর্বজনা মাখা যাদের দেখা যায় এরাই মুলত পথশিশু।এরা টোকাই হিসাবে অধিক পরিচিত।আমরা ভদ্র সমাজ টোকাই কথাটি শুনিবার খারাপ হেতু বলে থাকি পথশিশু।
এবার এই শিশুরাই যদি বাংলাদেশের হয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলে তাহলে তা বিশ্বাস করা যায়!যারা কিনা দুই বেলা ঠিকভাবে খেতে পায় না।ক্ষুধার জঠর যন্ত্রণা যাদের সব সময় তাড়া করে বেড়ায়।দুই কলম পড়াশুনা করার সুযোগ পর্যন্ত এরা পায়না।
তবে আর্চযের বিষয় 2018 সালের শেষ ভাগে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসে আইসিসি থেকে এমন একটি আমন্ত্রণ আসে।যেখানে তারা সব দেশের পথশিশুদের নিয়ে আয়োজন করে এক বিশেষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ।যা 2019 সালের 30এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।আর বাংলাদেশের শিশুরা প্রথম বারের মত সেখানে অংশ গ্রহন করবে!

তবে এই পথ শিশুদের বিদেশে যাওয়ার পথে বড় বাঁধা পাসপোর্ট।যা নিয়ে অনেক জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।তবে আশার কথা সরকারের একটু দৃষ্টি ভঙ্গিই বদলে দিতে পারে সকল বাঁধা।আমরা আমাদের পথশিশুদের দেখতে পাব বিশ্ব মঞ্চে !

জিবনের অনেক কিছুই মিথ্যা হতে পারে।তবে চির সত্য বলে যদি কোন কথা থেকে থাকে তবে(শিক্ষাই যে জাতির মেরুদন্ড) কথাটি তার মধ্যে অন্যতম।অার শিক্ষা এমন একটা জিনিস যা মানুষ মরার অাগ পর্যন্ত শিখতেই থাকে। তবে হ্যাঁ এটাও সত্য যে যত পড়ে সে তত শেখে।তাই অাপনার জন্য সাজানো এই জ্ঞান সম্ভার অাশা করি পুরোটা পড়বেন।এবং পড়লে তা বিফলে যাবে না কিছুটা হলেও জ্ঞানের পরিধি অাপনার বাড়বেই বাড়বে....!!

১)পৃথিবীতে মোট দেশ?
উ:মোট দেশ সংখ্যা ২০৪ টি।এর ভিতর স্বধীন ১৯৩ টি।(সূত্র:উইকিপিডিয়া)

২)অায়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ দেশ?
উ:আয়তনে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ দেশটি হল রাশিয়া। যার পুর্ব নাম ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এর আয়তন প্রায় ১৭,০৯৮,২৪২ কিলোমিটার। যা পৃথিবীর ১১% জায়গা দখল করে আছে।

৩) জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় দেশ?
উ:চীন

৪)সবচেয়ে ছোট দেশ?
উ:ভিয়েতনাম

৫)সবচেয়ে বড় সাগর?
উ:প্রশান্ত মহাসাগর।প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন ১৬৯.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার (৬৫.৩ মিলিয়ন বর্গমাইল), যা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রায় ৩২ শতাংশ(সূত্র:উইকিপিডিয়া) 

৬)সবচেয়ে বড় পর্বত?
উ:মাউন্ট এভারেস্ট

৭)সবচেয়ে বড় দ্বীপ?
উ:গ্রিনল্যান্ড

৮)জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব?
উ:ট্রিগবেলি

৯)জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব?
উ:অ্যান্টোনিও গুতারেস(১জানুয়ারি ২০১৭ সালে দায়িত্ব গ্রহন করেন)

১০)প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হয়?
উ:১৯১৪-১৯১৮ সাল পর্যন্ত

১১)দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়?
উ:১৯৩৯-১৯৪৫ সাল পর্যন্ত

১২)বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী?
উ:তাজউদ্দীন অাহমেদ

১৩)বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি?
উ:সৈয়দ নজরুল ইসলাম

১৪)সিরিয়ার রাজধানী?
উ:দামেস্ক

১৫)ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী?
উ:জওহরলাল নেহরু।

১৬)পাকিস্তানের রাজধানী?
উ:ইসলামাবাদ

১৭)এ পর্যন্ত  নোবেল বিজয়ী বাঙালি?
উ:তিন জন।

১৮)সর্বপ্রথম মহাকাশ অভিচারী?
উ:ইউরি গ্যাগারিন

১৯)প্রথম চাঁদে পা রাখেন?
উ:নিল অার্মস্ট্রং

২০)জাপানের রাজধানী?
উ:টোকিও

২১)মোট ভাত প্রধান দেশ?
উ:৩০ টির অধিক

২২)শীতের দেশ?
উ:অামেরিকা

২৩)গরমের দেশ?
উ:সিডনি

২৪)মোবাইল ফোন অাবিষ্কারক?
উ:মার্টিন কুপার

২৫)মাটির বোম প্রথম তৈরি করেন?
উ:ক্ষুদীরাম

অামরা কেন বেঁচে অাছি কার কারনে বেঁচে অাছি?কে অামাদের বাঁচিয়ে রেখেছে?এসব প্রশ্নের ধর্মীয় উওর যদিও অাল্লাহ/ঈশ্বর। তবে বিজ্ঞান এর দৃষ্টিতে এই প্রশ্নগুলোর উওর হৃদপিন্ড।তাই সৃষ্টি কর্তা সম্পর্কে অামরা যেমম জানি তেমনি হৃদপিন্ড বিষয়ে ও কিছুটা জানা দরকার।চলেন জেনে নি..

হৃদপিন্ড মানেই একটি পাম্পযন্ত্র।যা অনবরত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চাচল করে।হৃদপিন্ড বুকের ভিতর ফুসফুস দুটির মাঝে এবং মধ্যচ্ছদার ওপরে থাকে।হৃদপিন্ডের অাবার দুটি প্রান্ত রয়েছে।প্রশস্তটি ওপরের দিকে অার ছুঁচালোটি নিচের দিকে।এটি দ্বিস্তরি পেরিকার্ডয়াম পর্দা দিয়ে অার্বত থাকে। এবং উভয় প্রান্তের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে, যা হৃদপিন্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে।
প্রতিটি মানুষের হৃদপিন্ডে চারটি প্রকোষ্ঠ রয়েছে।ওপরের প্রকষ্ঠ দুটিকে ডান ও বাম অলিন্দ এবং নিচের দুটিকে ডান ও বাম নিলয় বলে।অলিন্দের প্রাচির পাতলা অার নিলয়ের প্রাচির পুরু ও পেশিবহুল।অলিন্দের সাথে উর্ধ্ব ও নিম্ন শিরা যুক্ত থাকে।নিলয়ের সাথে পালমোনারি শিরা, ফুসফুসীয় ধমনি ও মহাধমনি যুক্ত থাকে।

ধমনি: রক্ত হৃদপিন্ড থেকে সারা থেকে যার মাধ্যমে যায় সেটি হল ধমনি।ধমনির তিনটি অংশ এবং এর প্রাচীর পুরু হয়।

শিরা: দূষিত রক্ত সারা শরীর থেকে বহন করে নিয়ে অাসার মাধ্যম হল শিরা।শিরা যদিও ধমনির মত তিনটি স্তরে গঠিত তদাপি এর প্রাচীর পাতলা ও গম্বর বড়।

কৈশিক জালিকা: শরীরের প্রতিটি কোষ শিরা একটির সাথে অারেকটি সম্পর্ক যুক্ত।তেমনি ধমনি ও শিরাও একটি স্তানে মিলিত হয় এই মিলিত স্তানকে কৈশিক জালিকা বলে।

হৃদপিন্ড কি কাজ করে?
হৃদপিন্ড মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র,ধমনি,শিরাও কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত।এটি সংকোচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত সংবহন করে। যার ফলে অামরা অক্সিজেন নিতে ও ত্যাগ করতে পারি। অার এভাবেই হৃদপিন্ড অামাদের বাঁচিয়ে রাখে।

অাল্লাহ তায়ালা,নবি-রাসুল,ফেরেশতা,অাসমানি কিতাব,পরকাল,জান্নাত-জাহান্নাম এগুলো তে যদি অাপনি বিশ্বাস করেন তাহলে নিশ্চিত অাপনি একজন খাঁটি মুসলিম।অার মুসলিমদের অন্যান্য ধর্মাবল্বীদের থেকে অালাদা কিছু নিয়ম কানুন যেমন জানতে হয় তেমনি ইসলাম সম্পর্কে ও জানতে হয়।এছাড়া ইসলাম ধর্মে কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অামরা জানি না।দেখেন সেই শব্দগুলো ও তার অর্থ...

ইসলাম অর্থ: অানুগত্য করা,অাত্নসমর্পন করা ও শান্তির পথে চলা।

ইমান অর্থ: বিশ্বাস করা,অাস্থা স্থাপন ও মেনে নেওয়া।(ইমানের সাতটি মূল বিষয় রয়েছে)

অাখিরাত অর্থ: পরকাল

তকদির অর্থ: নির্ধারিত পরিমান, ভাগ্য ও নিয়তি।

অাশরাফুল মাখলাুকাত অর্থ: সৃষ্টির সেরা জীব।

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ অর্থ: অাল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই।

তাওহিদ অর্থ: একত্ববাদ

কুফর অর্থ: অস্বীকার করা,ঢেকে রাখা,গোপন রাখা।

শিরক অর্থ: একাধিক স্রষ্টা

নিফাক অর্থ: কপটতা, প্রতারনা।

রিসালাত অর্থ: বার্তা,চিঠি পৌঁছানো।

কিতাব অর্থ: লিখিত বস্তু।(১০৪ টি অাসমানি কিতাব অাছে)

কিয়ামত অর্থ: মহাপ্রলয়

হাশর অর্থ: মহাসমাবেশ

সিরাত অর্থ: পথ, রাস্তা

শাফাঅাত অর্থ : সুপারিশ করা, অনুরোধ করা।

জান্নাত অর্থ : বাগান, উদ্যান।

মাদনি অর্থ: মদিনা(মাদিনা সূরা ২৮ টি)

ইজমা অর্থ: একমত হওয়া।

হালাল অর্থ: বৈধ

মুস্তাহাব অর্থ: পছন্দনীয়।

সুন্নত অর্থ: পথ, পন্থা।
ইবাদত অর্থ: বিনয় প্রকাশ করা।

সাওম অর্থ: বিরত থাকা।

ফিতনা- ফাসাদ অর্থ: অরাজকতা,  কলহ।



ঘুস অর্থ: উৎকোচ

বর্তমানে অামরা যে বিজ্ঞানের যুগে বাস করছি।এই বিজ্ঞান চর্চা সর্বপ্রথম শুরু হয় গ্রিকে।
প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০  অব্দে গ্রিকরা বিজ্ঞানচর্চার সূত্রপাত ঘটায়।তারাই প্রথম পৃথীবির মানচিত্র অঙ্কন করেন।এবং প্রমান করে দেখান যে,পৃথিবী একটি গ্রহ ও নিজ কক্ষপথে ঘোরে।গ্রিকের জ্যোতির্বিদরা খুঁজে বের করেন সূর্য ও চন্দ্র গ্রহনের কারন। এবং চাঁদের নিজস্ব কোন অালো নেই। বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের কারনে নয় বরং প্রকৃতির কারনে হয়ে থাকে।
এসব তথ্য গ্রিক বিজ্ঞানিরা দেওয়ার পর তা নিয়ে চলে নানা গবেষনা।এবং যা বর্তমান পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।গ্রিক বিজ্ঞানিদের মধ্যে জ্যামিতির পন্ডিত ইউক্লিড ও পিথাগোরাস এর নাম অাজও মানুষের মুখে মুখে।
এসব ইতিহাস বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে প্রথম রচনা করেন থুকিডাইডেস।
কালক্রমে বিজ্ঞান এগিয়ে চলতে থাকে। এবং খ্রিষ্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে এসে মিশরীয়রা অাবিষ্কার করেন সৌর পঞ্জিকা।এবং ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবেরও অাবিষ্কার করেন।এছাড়া মিশরীয়রা অারও সূর্য ঘড়ি, ছায়া ঘড়ি ও জল ঘড়ি অাবিষ্কার করেন। রোগ নির্নয় থেকে শুরু করে মৃতদেহ পচন থেকে রক্ষা করার কৃতৃত্বও মিশরীয়দের।অার হ্যাঁ অামরা এখন যে লিখতে পারি তার বড় কারনও মিশরীয়রা। তারাই প্রথম লিপি বা অক্ষর অাবিষ্কারর করেন।


প্রাচীন সভ্যতায় মিশরীয়দদের অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। ধর্মীয় চিন্তা থেকে শুরু করে লিখন পদ্ধতি ও জ্ঞান বিজ্ঞানচর্চা সবকিছুই তাদের অবদানে সমৃদ্ধ।
তবে তাদের মত অার কোন জাতি জীবনের সকল ক্ষেত্রে এতটা ধর্মীয় নিয়ম-কানুন অনুশাসন দ্বারা প্রভাবিত ছিল না। যার জন্য অাজ মানব সভ্যতার অনেক ধ্যান-ধারনা,রীতি নীতি, মিশরে খুঁজে পাওয়া যায়।তারা জড়বস্তুুর পূজা করত,মূর্তি পূজা করত, অাবার জীব জন্তুরও পূজা করত।তবে বিভিন্ন সময়ে তাদের ধর্ম বিশ্বাসে পরিবর্তনও ঘটেছে।মিশরীয়দদের ধারনা ছিল, সূর্যদেবতা এবং প্রাকৃতিক শক্তিও নীলনদের দেবতা ওসিরিস মিলিত ভাবে সমগ্র পৃথিবী পরিচালিত করে।
মিশরীয়রা মনে করত মৃত মানুষ অাবার একদিন বেঁচে উঠবে।তাই তারা মৃত দেহ তাজা রাখার জন্য মমি করত।এবং মমিকে রক্ষা করার জন্য পিরামিড তৈরি করেছিল।তাছাড়া তখন ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে ফারাওরা দেশ শাসন করত।

অামার সোনার বাংলা,অামি তোমায় ভালবাসি ।সংগীতটি অামাদের জাতীয় সংগীত।কিভাবে এটি অামাদের জাতীয় সংগীত হলো?

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলাকে বিভক্ত করে দুইটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করে।একটি অাসাম অারেকটি পূর্ববঙ্গ। এরই প্রেক্ষাপটে কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৬ সালে এ সংগীতটি রচনা করেন।পরে এই গানটি বাঙালিদের স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করণের জন্য প্রচার করা হয়।
১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারি ও ৩রা মার্চ বিশাল জনসভায় গানটি গাওয়া হয়।এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষনেও গানটি গাওয়া হয়।যার প্রেক্ষিতে মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হয়।
তারপর বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন সাংবিধানিক ভাবে (অামার সোনার বাংলা) গনপ্রতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতরূপে ঘোষিত হয়।এবং জন্ম হয় অামাদের জাতীয় সংগীতের।

সামাজিক জীব হওয়ার দরুন মানুষ একটি সমাজে বসবাস করে। মেনে চলে নানা রকম নিয়মনীতি। তবে বর্তমানে অামরা যে সমাজ ব্যবস্থা দেখতে পাই অনেক অাগে নিশ্চয় তা ছিল ভিন্নতর।কেমন ছিল সেই প্রাচীন সমাজ?

মানুষ সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে ভালবাসে।যার জন্য বন ছেড়ে গড়ে তোলে সমাজ।শুরু করে একসাথে বসবাস করতে।অার জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে মনোযোগ দেয় শিক্ষা, বিজ্ঞান,শিল্পকলা,অাইন ইত্যাদির উন্নয়নে।

মৌর্য শাসনের পূর্বে বাংলার মানুষের তেমন কোন রাজনৈতিক পরিচয় গড়ে ওঠেনি।তখন বাঙালি সমাজ ছিল কৌম সমাজ।তারপর যখন এদেশে অার্যরা অাসে তখন সমাজে কিছু কিছু প্রথা চালু হয়।যেমন:অতিথিদের পান-সুপারি খেতে দেওয়া,শিবের গীত গাওয়া,বিয়েতে গায়ে হলুদ দেওয়া,ধুতি-শাড়ি পরা ও মেয়েদের কপালে সিঁদুর দেওয়া।যা বর্তমানে অামাদের হিন্দু সমাজে লক্ষ্য করা যায়।তবে হ্যাঁ অার্য সমাজে জাতিভেদ প্রথা অত্যন্ত ব্যাপক ছিল।

প্রাচীন সমাজে বাঙালি মেয়েদের গুনাবলির সুখ্যাতি ছিল।মেয়েরা যেমন লেখাপড়া শিখত তেমনি কোন পর্দা প্রথা ছিল না।কিন্তু প্রাচীন সমাজে মেয়েদের কোন প্রকার স্বাধীনতা ছিল না। তারা মাত্র একবার বিবাহ করতে পারত।অথচ একজন পুরুষ তার ইচ্ছা অনুযায়ী একাধিক বিবাহ করিত।তাছাড়া স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকেও মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে দেওয়া হতো।এই সতীদাহ প্রথা অবসান ঘটান ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর।

বাঙালি সমাজে প্রধান খাদ্য ছিল ভাত,মাছ,মাংস,শাক-সবজি,দুধ ইত্যাদি। যা বর্তমান সময়েও বলবদ রয়েছে। অার তখন কার সময়ে প্রায় সকলেই একই রকম পোষাক পরত।শুধু রাজা-মহারাজাদের পোষকে কিছুটা অাড়ম্বর ছিল।

প্রাচীন বাংলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান বাহন ছিল গরুর গাড়ি ও নৌকা।এবং বিয়ের পর নববধূকে শ্বশুর বাড়ি নিতে পালকি ব্যবহৃত হত।এছাড়া তখনকার সমাজের প্রায় সকলে কৃষিচাষ করত।যাতে করে মানুষের জীবন মোটামুটি সুখেরই ছিল।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget